মূল অংশে যান
Edge LAW

কীভাবে কাজ করে

কীভাবে কাজ করে

সব সেবায় একই চার ধাপ — প্রতিটি তথ্যের প্রমাণ আর প্রতিটি অঙ্কের পেছনের আইন আপনি দেখতে পান।

একটি কেস যেভাবে এগোয়

চারটি ধাপ — প্রতিটি আপনি নিজে দেখতে পান, প্রতিটি তথ্য কোথা থেকে এলো তাও।

  1. কাগজপত্র দিন

    মোবাইলে তোলা ছবি বা পিডিএফ আপলোড করুন, অথবা টাইপ করে দিন। যে তথ্যই আমরা ব্যবহার করি, তার পাশে থাকে আপনার কাগজের হুবহু লেখা বা আপনার নিজের উত্তর।

  2. শুধু দরকারি প্রশ্নের উত্তর দিন

    আইনে যা জানা দরকার, শুধু সেটুকুই একটা একটা করে আপনার ভাষায় জিজ্ঞেস করা হয়। দুই কাগজে তথ্য না মিললে আমরা নিজে থেকে একটা বেছে নিই না — আপনাকে জিজ্ঞেস করি।

  3. তথ্য নিশ্চিত করুন, হিসাব দেখুন

    তথ্যগুলো আপনি নিজে মিলিয়ে নিশ্চিত করেন। রুলস ইঞ্জিন লাইন ধরে হিসাব করে, প্রতিটি লাইনের পাশে আইনের ধারা। এআই শুধু ফলাফলটা সহজ ভাষায় বুঝিয়ে বলে — কোনো অঙ্ক বদলাতে পারে না।

  4. যাচাই ও অনুমোদন, তারপর ডাউনলোড

    একজন নিবন্ধিত আইনজীবী বা Edge LAW-এর পর্যালোচক কেসটি দেখে সংশোধন চান বা অনুমোদন দেন। তারপর টাকা দিয়ে চূড়ান্ত কাগজপত্র ডাউনলোড করেন। তাতে লেখা থাকে কে অনুমোদন করেছেন, আর নিবন্ধিত আইনজীবী সত্যায়ন করলে তাঁর নিবন্ধন নম্বরও।

পর্দার আড়ালে যা হয়

  • আন্দাজ নয়, প্রমাণ

    এআই কাগজ থেকে যে তথ্যই তুলুক, কাগজের হুবহু লেখা দেখিয়ে প্রমাণ করতে হয় — অঙ্ক মিলতে হয় অক্ষরে অক্ষরে। প্রমাণ না থাকলে তথ্যটি বাদ। দুই কাগজে অমিল থাকলে আমরা আপনাকে জিজ্ঞেস করি, নিজে থেকে বেছে নিই না।

  • আইন লেখা থাকে নিয়মের ফাইলে

    করের হার, সীমা ও সময়সীমা থাকে বছরভিত্তিক নিয়মের ফাইলে, প্রতিটির পাশে আইনের উৎস। যাচাই না হওয়া ফাইল চালু সিস্টেমে চলে না; আগে থেকে হাতে কষা পরীক্ষার কেসগুলোতে নির্ভুল ফল দিলে তবেই একটি ফাইল যাচাইকৃত হয়।

  • হিসাব করে সফটওয়্যার, বুঝিয়ে বলে এআই

    আমাদের ইঞ্জিন পুরো নির্ভুলতায় অঙ্ক কষে, প্রতিটি লাইনে মাত্র একবার রাউন্ড করে। এআই পরে ব্যাখ্যা লেখে — তাতে ইঞ্জিনের হিসাবের বাইরে একটি সংখ্যাও থাকতে পারে না।

  • সই করেন মানুষ

    যিনি সই করবেন তাঁর নিবন্ধন হালনাগাদ ও যাচাই করা থাকতে হবে, কেসটি তাঁকেই দেওয়া থাকতে হবে, আর সই হবে সর্বশেষ হিসাবের ওপরেই। সইয়ের ডিজিটাল ছাপ ও নিবন্ধন নম্বর কেসের সঙ্গে সংরক্ষিত থাকে।

  • আপনার তথ্য তালাবদ্ধ

    প্রতিটি কাগজ সেভ করার আগেই আলাদা চাবিতে এনক্রিপ্ট হয়। টিআইএন ও এনআইডি এনক্রিপ্ট করা থাকে, আর খোঁজার সময়ও আসল নম্বর খোলা হয় না। আইনে যত দিন রাখা বাধ্যতামূলক, তত দিন রেখে তারপর মুছে ফেলা হয়।

  • খসড়া মানে খসড়াই

    নিয়মের ফাইল যাচাই না হওয়া পর্যন্ত তা দিয়ে করা প্রতিটি হিসাবে বাংলা ও ইংরেজিতে লাল ‘খসড়া’ ছাপ থাকে, আর সেটি চূড়ান্ত হিসেবে অনুমোদন করা যায় না।

আমরা যাচাই করা রিটার্ন তৈরি করে দিই; এনবিআরের ই-রিটার্ন পোর্টালে আপনার হয়ে জমা দিই না।

শুরু করতে এক মিনিটও লাগে না

শুরুর আগেই দাম জানিয়ে দেওয়া হয়, আর টাকা দেবেন কাজ যাচাই ও অনুমোদনের পরে।