বাংলাদেশের অনলাইন আইনি সেবা — আইন মেনে, প্রমাণসহ
আয়কর রিটার্ন, জমি, ট্রাফিক ও পারিবারিক আইন — প্রমাণসহ, যাচাই করে
Edge LAW আপনার কাগজপত্র পড়ে নেয়, আইনে যা দরকার শুধু সেটুকুই জিজ্ঞেস করে, আইনের ধারা ধরে হিসাব করে — আর আপনার হাতে দেওয়ার আগে একজন পর্যালোচক পুরোটা যাচাই করেন। সবকিছু আপনার মোবাইলেই, বাংলা বা ইংরেজিতে।
আপনার নিশ্চিত করা তথ্য থেকে রুলস ইঞ্জিন হিসাব করে; এআই ব্যাখ্যা করে; সরবরাহের আগে পর্যালোচনা ও অনুমোদন হয়।
- ৪
- আইনি সেবা, প্রতিটির হিসাব আইনের ধারা ধরে
- ১০০%
- হিসাব করে আমাদের রুলস ইঞ্জিন — এআই কখনো নয়
- ০
- যাচাই ছাড়া কোনো কাগজ আপনার হাতে যায় না
সেবাসমূহ
আমরা যা করি
সব সেবা একই পদ্ধতিতে চলে: তথ্য আসে আপনার কাগজ ও উত্তর থেকে, আইনের হার ও সময়সীমা থাকে বছরভিত্তিক নিয়মের ফাইলে, হিসাব করে ইঞ্জিন, আর হাতে দেওয়ার আগে একজন পর্যালোচক যাচাই করেন।
আয়কর রিটার্ন
বেতন, বাড়িভাড়া, ব্যবসার আয়, শেয়ার বা জমি বিক্রির লাভ ও অন্যান্য আয় — আর আইনে লাগলে সম্পদ বিবরণী ও জীবনযাপন ব্যয়ের বিবরণীও। তথ্য আপনি নিশ্চিত করেন, ইঞ্জিন হিসাব করে, একজন আয়কর আইনজীবী যাচাই করে সই করেন।
বিস্তারিত →জমির যাচাই ও রেজিস্ট্রি খরচ
বায়না বা রেজিস্ট্রির আগে আমরা খতিয়ান, দলিল আর নামজারি (মিউটেশন)-এর কাগজ পড়ি, মালিকানা কার থেকে কার হাতে এসেছে তা মিলিয়ে দেখি, আর রেজিস্ট্রি খরচ হিসাব করি — প্রতিটি আইনের ধারাসহ। রিপোর্টে সই করেন একজন অ্যাডভোকেট।
বিস্তারিত →ট্রাফিক জরিমানা নির্দেশিকা
মামলার স্লিপ বা অনলাইন মামলার নোটিশের ছবি দিন। কোন অপরাধে মামলা, সর্বোচ্চ কত জরিমানা, লাইসেন্সে কত পয়েন্ট কাটা যাবে, আর আপিল কোথায় ও কত দিনের মধ্যে — সবই সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারাসহ জানাই।
বিস্তারিত →পারিবারিক আইন — সময়সীমা ও দেনমোহর
মুসলিম বিয়ের ক্ষেত্রে: তালাকের নোটিশের পর কবে তালাক কার্যকর হয়, ইদ্দত কত দিন, কাবিননামা অনুযায়ী দেনমোহর কত, আর খোরপোশ কত দিন পাওয়া যায় — সবই প্রযোজ্য আইনের ধারা ধরে। একজন আইনজীবী সবসময় পাশে আছেন।
বিস্তারিত →
কীভাবে কাজ করে
একটি কেস যেভাবে এগোয়
চারটি ধাপ — প্রতিটি আপনি নিজে দেখতে পান, প্রতিটি তথ্য কোথা থেকে এলো তাও।
কাগজপত্র দিন
মোবাইলে তোলা ছবি বা পিডিএফ আপলোড করুন, অথবা টাইপ করে দিন। যে তথ্যই আমরা ব্যবহার করি, তার পাশে থাকে আপনার কাগজের হুবহু লেখা বা আপনার নিজের উত্তর।
শুধু দরকারি প্রশ্নের উত্তর দিন
আইনে যা জানা দরকার, শুধু সেটুকুই একটা একটা করে আপনার ভাষায় জিজ্ঞেস করা হয়। দুই কাগজে তথ্য না মিললে আমরা নিজে থেকে একটা বেছে নিই না — আপনাকে জিজ্ঞেস করি।
তথ্য নিশ্চিত করুন, হিসাব দেখুন
তথ্যগুলো আপনি নিজে মিলিয়ে নিশ্চিত করেন। রুলস ইঞ্জিন লাইন ধরে হিসাব করে, প্রতিটি লাইনের পাশে আইনের ধারা। এআই শুধু ফলাফলটা সহজ ভাষায় বুঝিয়ে বলে — কোনো অঙ্ক বদলাতে পারে না।
যাচাই ও অনুমোদন, তারপর ডাউনলোড
একজন নিবন্ধিত আইনজীবী বা Edge LAW-এর পর্যালোচক কেসটি দেখে সংশোধন চান বা অনুমোদন দেন। তারপর টাকা দিয়ে চূড়ান্ত কাগজপত্র ডাউনলোড করেন। তাতে লেখা থাকে কে অনুমোদন করেছেন, আর নিবন্ধিত আইনজীবী সত্যায়ন করলে তাঁর নিবন্ধন নম্বরও।
আমাদের চার অঙ্গীকার
এগুলো শুধু কথার কথা নয় — সিস্টেমের ভেতরেই বাঁধা, তাই চাইলেও ভাঙা যায় না।
আইন হলো তথ্য
প্রতিটি হার, সীমা ও সময়সীমা আসে আইনজীবীদের যাচাই করা সংস্করণভুক্ত নিয়ম-ফাইল থেকে — কখনো এআই-এর স্মৃতি থেকে নয়।
হিসাব করে কোড
সব গণনা করে একটি নির্ধারিত রুলস ইঞ্জিন, শুধু আপনার নিশ্চিত করা তথ্য থেকে। এআই কোনো অঙ্ক তৈরি করে না।
প্রতিটি অঙ্কের প্রমাণ আছে
প্রতিটি তথ্যের পাশে থাকে আপনার নথির উদ্ধৃতি বা আপনার নিজের উত্তর, আর হিসাবের প্রতিটি লাইনে থাকে আইনের সূত্র।
স্বাক্ষর করেন মানুষ
চূড়ান্ত কিছু পাওয়ার আগে একজন নিবন্ধিত আয়কর আইনজীবী আপনার রিটার্ন পর্যালোচনা ও অনুমোদন করেন।
আমরা পর্যালোচিত রিটার্ন প্যাক প্রস্তুত করি; এনবিআর পোর্টালে আপনার হয়ে জমা দিই না।
আগে প্রশ্নটা করে দেখুন
আইনি চ্যাট সরাসরি আইনের মূল লেখা থেকে উত্তর দেয় এবং কোন ধারা থেকে বলছে তা দেখায়। আইনে উত্তর না পেলে সোজাসুজি তা-ই বলে, আন্দাজে কিছু বলে না — আইনজীবীর পরামর্শ নিতে বলে।
পেশাজীবীদের জন্য
যাঁরা যাচাই করে সই করেন, Edge LAW তাঁদের কাজও সহজ করে।
ল’ চেম্বার ও ট্যাক্স কনসালট্যান্সি
নিজের চেম্বারের নামে নিজের ক্লায়েন্টদের কাজ করুন। আপনার স্টাফ কাগজ ও তথ্য দেন, ইঞ্জিন হিসাব করে, আর আপনার নিজের আইনজীবী যাচাই করে সই করেন। মাসিক প্ল্যান, মাস শেষে বিল।
চেম্বার প্ল্যান দেখুন →অ্যাডভোকেটদের জন্য পরামর্শ সেবা
যাচাই করা অ্যাডভোকেটরা অনলাইনে পরামর্শ দেন; পরামর্শ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ফি আমাদের কাছে নিরাপদে জমা থাকে। ক্লায়েন্ট চাইলে নিজের সম্মতিতে কেসের সারসংক্ষেপ আপনাকে দেখাতে পারেন।
পরামর্শ যেভাবে কাজ করে →
শুরু করতে এক মিনিটও লাগে না
মোবাইল নম্বর দিয়ে সাইন ইন করুন — পাসওয়ার্ড লাগে না, অ্যাপ নামাতে হয় না। ব্রাউজারেই চলে, আর একবার খোলা পাতা ইন্টারনেট ছাড়াও দেখা যায়।
আইনজীবী ও কর্মীরাও একই বোতাম দিয়ে সাইন ইন করেন।